• সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
গায়ে হাত তোলার কারণেই কি বিচ্ছেদ হয়েছিল সালমান-ঐশ্বরিয়ার? জার্মানিতে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ, লুটপাট, সহিংসতা ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন আহ্বায়ক কমিটি কারখানার উৎপাদন অব্যাহত রাখা ও জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর অসন্তোষ-সহিংসতা অব্যাহত থাকলে কারখানা বন্ধের হুঁশিয়ারি পোশাক মালিকদের পানি না এলে ভারতের পণ্যও বাংলাদেশে ঢুকবে না: নাহিদ ইসলাম ২য় স্ত্রীর আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা : এমপি গাজী নজরুলের জামিন মেলেনি বারে মদ্যপান, প্রেমিকার সঙ্গে বিরোধের পর হেরোইন খুঁজতে টঙ্গীর মাঠে যান তাহসিফ আমার দেশ পত্রিকার কপি ছিঁড়ে রাশেদ খানের ভিডিও প্রকাশ নির্বাচনে হারলে ইরানে বড় হামলা চালাতে পারেন ট্রাম্প

অসন্তোষ-সহিংসতা অব্যাহত থাকলে কারখানা বন্ধের হুঁশিয়ারি পোশাক মালিকদের

Reporter Name / ১৪ Time View
Update : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬

তৈরি পোশাক খাতে শ্রমিক অসন্তোষ, বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ১৩(১) ধারা অনুযায়ী কারখানা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হতে পারেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকরা।

নতুন মজুরি নির্ধারণে সরকার মজুরি বোর্ড গঠন করার পরও পরিস্থিতির উন্নতি না হলে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন তারা।

রোববার (১ নভেম্বর) রাজধানীর বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে চলমান শ্রমিক অসন্তোষ নিয়ে আয়োজিত এক জরুরি সভা শেষে এ কথা জানান বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান।

পোশাকশ্রমিকদের মাসিক ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে চলমান আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে একই দিন সরকার ছয় সদস্যের একটি মজুরি বোর্ড গঠন করে।

সভা থেকে শ্রমিক সংগঠন ও ফেডারেশনগুলোর নেতাদের শ্রমিক আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে শ্রমিক কিংবা মালিক যারাই আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের পক্ষপাত ছাড়াই আইন প্রয়োগের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান বিজিএমইএ সভাপতি।

মাহমুদ হাসান খান বলেন, মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে চলমান আন্দোলনের কারণে কারখানার স্বাভাবিক উৎপাদন কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে বিজিএমইএর সদস্যরা উদ্বিগ্ন। নিয়মিতভাবে কারখানা পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, ‘সকালে কারখানা খোলা হচ্ছে, কিন্তু এক ঘণ্টা পরই আবার বন্ধ করে দিতে হচ্ছে। আমরা এ সমস্যার একটি স্থায়ী সমাধান চাই।’

বিজিএমইএ সভাপতি জানান, সভায় সংগঠনের প্রায় ২৩৫ জন সদস্য অংশ নেন। তাদের প্রতিনিধিত্বে প্রায় ৬০০ থেকে ৭০০টি কারখানা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সভায় কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে পোশাক খাতের শ্রমিকদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনসহ বিভিন্ন শ্রমিক ফেডারেশনকে তাদের সদস্যদের দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

শ্রমিক কিংবা কারখানার মালিক যে পক্ষই সহিংসতায় জড়িত হোক বা আইন নিজের হাতে তুলে নিক, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে- এমন কঠোর বার্তা দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। বিশেষ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ জানান বিজিএমইএ সভাপতি।

নবগঠিত মজুরি বোর্ডের সদস্যদের একসঙ্গে সংবাদমাধ্যমের সামনে এসে শ্রমিক ও শিল্পসংশ্লিষ্ট সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানানোরও পরামর্শ দেন তিনি।

মাহমুদ হাসান খান বলেন, শ্রমিক, পোশাকশিল্প ও জাতীয় অর্থনীতির স্বার্থে নতুন ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের দায়িত্ব মজুরি বোর্ডের ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত। এ ক্ষেত্রে বোর্ডকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে।

এদিকে, শিল্পসংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, চলমান শ্রমিক অসন্তোষ ও সহিংসতার কারণে রাজধানীর মিরপুর, আশুলিয়া ও গাজীপুরসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে প্রায় ৫২৯টি পোশাক কারখানা বন্ধ রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com