• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ব্যালন ডি’অরের জানা-অজানা যত ইতিহাস ১০ দিন পর গলার লকেটে মিলল নিখোঁজ শিক্ষিকা মুক্তার পরিচয় দুর্যোগ মোকাবিলা ও সামরিক প্রশিক্ষণে সহযোগিতা বাড়াবে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র শনিবার এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ: শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার্থীদের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণের প্রস্তাব ইউনেস্কোর ‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স, আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মানে জিহবাটা বের করে হাঁফাচ্ছে: মো. তারেক জাপানের বিনিয়োগে দেশে নতুন ২ লাখ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা: প্রধানমন্ত্রী আবুল খায়ের স্টীল মেল্টিং কারখানা পরিদর্শন করলেন জার্মান ভাইস মিনিস্টার ৬০,০০০ কর্মীকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের প্রস্তাব দিয়েছে মাইক্রোসফট

১০ দিন পর গলার লকেটে মিলল নিখোঁজ শিক্ষিকা মুক্তার পরিচয়

Reporter Name / ২২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে টুপটুপ রেস্তো অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ১০ দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তার দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে কয়েক ঘণ্টার তল্লাশি শেষে পুলিশ তা উদ্ধার করে। গলায় থাকা লকেট দেখে স্ত্রীকে শনাক্ত করেন তাঁর স্বামী দেওয়ান ফয়সাল।

এ নিয়ে ওই অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ জনে। এর আগে ডিএনএ পরীক্ষায় পরিচয় শনাক্ত হওয়া ১০ জনের মরদেহ মঙ্গলবার সকালে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সোমবার রাতে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে ১০ জনের পরিচয় শনাক্তের তথ্য জানায়। তবে তাঁদের মধ্যে ছিলেন না নিখোঁজ শিক্ষিকা মুক্তা। স্বজনদের ডিএনএর সঙ্গে উদ্ধার হওয়া মরদেহের নমুনার মিল না পাওয়ায় তাঁর সন্ধান নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।

এরপর মঙ্গলবার সকালে উখিয়ার ইনানীর পাটুয়ারটেক এলাকায় মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন পুড়ে যাওয়া রিসোর্টে নতুন করে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। ধ্বংসস্তূপের ঝুঁকিপূর্ণ অংশের পাশাপাশি আশপাশের নালা ও ঝোপঝাড়েও অনুসন্ধান চালানো হয়। কয়েক ঘণ্টা পর উদ্ধার হয় মুক্তার দেহাবশেষ।

নাসরিন আক্তার মুক্তা ঢাকার সাভারের আশুলিয়ার স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন। দুই বান্ধবীর সঙ্গে কক্সবাজার বেড়াতে এসে তাঁরা ওই রিসোর্টে উঠেছিলেন।

মুক্তার স্বামী দেওয়ান ফয়সাল জানান, অগ্নিকাণ্ডের দিন ভোরে মুক্তার দুই বান্ধবী সমুদ্রসৈকতে হাঁটতে বের হয়েছিলেন। তখন মুক্তা রিসোর্টের কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন। বাইরে থাকায় তাঁর দুই বান্ধবী প্রাণে বাঁচলেও আগুনের মধ্যে আটকা পড়ে আর বের হতে পারেননি মুক্তা।

ফয়সাল বলেন, পরিবারের সদস্যরা ১০ দিন ধরে মুক্তার সন্ধানে অপেক্ষা করছিলেন। একে একে অন্য নিহতদের পরিচয় শনাক্ত হলেও তাঁর খোঁজ মিলছিল না। অবশেষে গলায় থাকা লকেট দেখে তাঁকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

মঙ্গলবার দুপুরের পর কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গের হিমঘর থেকে ডিএনএ পরীক্ষায় পরিচয় শনাক্ত হওয়া ১০ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান ও পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান।

মুক্তার ফুফাতো ভাই হাসিবুল ইসলাম উদ্ধারকাজে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর অভিযোগ, ১০টি মরদেহ উদ্ধারের পরও মুক্তার দেহাবশেষ খুঁজে পাওয়া যায়নি। ডিএনএ পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর তাঁরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মুক্তাকে পাননি। পরে তাঁর দুলাভাই সংশ্লিষ্টদের ঘটনাস্থলে নিয়ে গেলে গলার লকেট দেখে মুক্তাকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

হাসিবুল আরও বলেন, মুক্তার বান্ধবীরা বারবার জানিয়েছিলেন, অগ্নিকাণ্ডের সময় তিনি রিসোর্টের ভেতরে ছিলেন। এরপরও কেন তাঁকে খুঁজে পাওয়া যায়নি, সেই প্রশ্নের উত্তর পরিবার এখনো পায়নি। শুরু থেকেই যথাযথভাবে তল্লাশি চালানো হলে হয়তো আরও আগেই তাঁর সন্ধান মিলত বলে অভিযোগ করেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com