• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
স্বাধীন বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধা নিধন শুরু করে আওয়ামী লীগ: জামায়াত আমির প্রতিযোগিতা আমি নিজের সঙ্গেই করি : অপু বিশ্বাস ফ্যাসিবাদী আ. লীগের এ দেশে আর রাজনীতির সুযোগ হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রমিক আন্দোলনে উসকানি দিয়ে কেউ লাভবান হবে না: রিজভী অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবিতে আজিমপুরে সড়ক অবরোধ ট্রাম্পের বিজয় তোরণ নির্মাণে ১৪ দিনের নিষেধাজ্ঞা শনিবার সারাদেশে বিএনপির শোভাযাত্রা, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের গভীর ও সম্মানজনক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায়: মাহদী আমিন শিশু-কিশোরদের মেধা বিকাশের মধ্য দিয়েই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ ৮ কোটি মিসরীয় থাকতে কেন ভারতীয়কে বিয়ে করলেন আল-সায়েদ

ট্রাম্পের বিজয় তোরণ নির্মাণে ১৪ দিনের নিষেধাজ্ঞা

Reporter Name / ১ Time View
Update : শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত বিজয় তোরণ নির্মাণকাজের ওপর ১৪ দিনের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন দেশটির একটি ফেডারেল আদালত। তোরণটির নকশা চূড়ান্তভাবে অনুমোদনের এক ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে এ আদেশ দেন আদালত।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দীর্ঘ গণশুনানি ও নাগরিকদের ব্যাপক বিরোধিতার পর ওয়াশিংটনের ২৫০ ফুট উচ্চতার এই তোরণ নির্মাণের নকশা অনুমোদন করে ন্যাশনাল ক্যাপিটাল প্ল্যানিং কমিশন।

ওয়াশিংটনের স্থাপত্য ও নকশাগত পরিবর্তন তদারককারী দুটি ফেডারেল সংস্থার একটি এই কমিশন। বৃহস্পতিবার ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে আট ঘণ্টার বেশি সময় ধরে সাধারণ মানুষের বক্তব্য শোনার পর রাত ১০টা ২৯ মিনিটে ৮-৪ ভোটে প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়া হয়। শুনানিতে যুদ্ধাহত সাবেক সেনাসদস্যসহ ১২০ জনের বেশি নাগরিক প্রকল্পটি বাতিলের আহ্বান জানান।

বার্তা সংস্থা সূত্রে জানা যায়, অনুমোদনের প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যে ইউএস ডিস্ট্রিক্ট জজ তানিয়া চুটকান ১৪ দিনের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। এ সময় ট্রাম্প প্রশাসন প্রস্তাবিত নির্মাণস্থলের আশপাশে কোনো ধরনের নির্মাণকাজ শুরু, পরিচালনা বা কার্যকর করতে পারবে না। ট্রাম্পের বিজয় তোরণ নির্মাণের বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি মামলার শুনানি করছেন বিচারক চুটকান। তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে নিয়োগ পেয়েছিলেন।

এর আগে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, কমিশনের চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার পরপরই নির্মাণকাজ শুরু করা হতে পারে। তবে বিরোধীরা প্রকল্পটিকে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত অহংকারের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই এ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ট্রাম্পের মনোনীত ব্যক্তিদের প্রাধান্য থাকা কমিশনের এই অনুমোদনকে ওয়াশিংটনের স্থাপত্য ও দৃশ্যপট নিজের পছন্দমতো সাজানোর প্রেসিডেন্টের প্রচেষ্টার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগামী জানুয়ারিতে নতুন কংগ্রেস দায়িত্ব নেওয়ার আগেই প্রকল্পটির কাজ এগিয়ে নিতে চায় হোয়াইট হাউস। ট্রাম্পের পরিকল্পনা, আগামী দুই বছরের মধ্যে তার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তোরণটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন করা।

তবে প্রকল্পটি নিয়ে আইনি জটিলতা বাড়ছে। প্রবীণ সেনাসদস্য ও ঐতিহ্য সংরক্ষণবাদীরা এর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তাঁদের দাবি, তোরণটির বিশাল আকৃতি ও অবস্থানের কারণে লিংকন মেমোরিয়াল, আর্লিংটন হাউস এবং রবার্ট ই. লি মেমোরিয়ালের মতো জাতীয় স্থাপনাগুলোর দৃশ্যমানতা বাধাগ্রস্ত হবে। পাশাপাশি এটি আর্লিংটন জাতীয় সমাধিক্ষেত্রের গম্ভীর পরিবেশও নষ্ট করতে পারে।

বিরোধীদের যুক্তি, ‘কমেমোরেটিভ ওয়ার্কস অ্যাক্ট’ অনুযায়ী ওয়াশিংটনে নতুন স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের জন্য কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন। কিন্তু ট্রাম্পের প্রস্তাবিত প্রকল্পের ক্ষেত্রে সেই অনুমোদন নেওয়া হয়নি।

বৃহস্পতিবার প্রকল্প এলাকার কাছাকাছি দিনভর বিক্ষোভ করেন বিরোধীরা। এতে অংশ নিয়ে ডেমোক্র্যাটিক প্রতিনিধি ডন বেয়ার বলেন, ‘একজন ব্যক্তির অহংকারের স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে এই বিকৃতি সেখানে সমাহিত প্রতিটি সেনাসদস্যের প্রতি অসম্মান।’

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com